باب تَحْرِيمِ تِجَارَةِ الْخَمْرِ فِي الْمَسْجِدِ
পরিচ্ছেদ: মসজিদে মদের ব্যবসা হারাম হওয়ার ঘোষণাপ্রদান সম্পার্কে
حَدَّثَنَا عَبْدَانُ، عَنْ أَبِي حَمْزَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ مُسْلِمٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ لَمَّا أُنْزِلَ الآيَاتُ مِنْ سُورَةِ الْبَقَرَةِ فِي الرِّبَا، خَرَجَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِلَى الْمَسْجِدِ، فَقَرَأَهُنَّ عَلَى النَّاسِ، ثُمَّ حَرَّمَ تِجَارَةَ الْخَمْرِ.
অনুবাদ: উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়িশা (রা.) বলেন, সূরা বাকারার সূদ সম্পর্কে আয়াত অবতীর্ণ হলে নবী (সা.) মসজিদে গিয়ে তা লোকজনকে পড়ে শুনালেন। তারপর তিনি মদের ব্যবসা হারাম করে দিলেন।
প্রাসঙ্গিক আলোচনা
হাদীসের সামঞ্জস্য: শিরোনামের সাথে হাদীসের সামঞ্জস্য ثُمَّ حَرَّمَ تِجَارَةَ الْخَمْرِ -এর সাথে।
হাদীসের পুনরাবৃত্তি: হাদীসটি বুখারী শরীফে ৬৫, ২৭৯, ২৯৭, ৬৫১ পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছে।
শিরোনামের উদ্দেশ্য: এ শিরোনাম দ্বারা ইমাম বুখারীর উদ্দেশ্য হলো একটি সংশয় নিরসন করা। তা হলো মসজিদসমূহ নির্মিত হয়েছে ইবাদত-বন্দেগীর জন্য। তার মধ্যে অশ্লীলতা ও নিষিদ্ধ কাজসমূহ হতে বিরত থাকা আবশ্যক। তাই সন্দেহ হতে পারে যে, মদ ও সুদের ন্যায় নিকৃষ্ট জিনিসের আলোচনাও মসজিদে করা যাবে না। এ নিকৃষ্ট জিনিসসমূহের নাম নেওয়াও মসজিদে আদব ও শিষ্টাচার পরিপন্থি।
ইমাম বুখারী এটা বলে দিলেন যে, এ জিনিসসমূহ নিঃসন্দেহে হারাম ও নিকৃষ্ট; কিন্তু তার হারাম হওয়ার মাসআলা বর্ণনা করা জায়েয আছে।
বাকী প্রশ্ন ও উত্তরের জন্য দেখুন নাসরুল বারী কিতাবুত্তাফসীর।
x
কোন মন্তব্য নেই